রহস্যে ঘেরা রোমান্টিক কবিতা-কালের কথন

রহস্যে ঘেরা রোমান্টিক কবিতা-কালের কথন:
আমাদের এই রহস্যে ঘেরা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার এক অসামান্য সৃষ্টি কবিতা কালের কথন।এক স্বপ্নময় ভিন্নধর্মী কাব্যিক স্বাচ্ছন্দ্য অভিজ্ঞতা করতে হলে পড়ে আসুন আমাদের এই রহস্যে ঘেরা কবিতা,“কালের কথন”।  


যেখানে আছে রহস্য  ও রোমাঞ্চে ঘেরা  এক বিচিত্র অনুভূতি যা পাঠককে নিয়ে যেতে পারে এমন এক দুনিয়ায় যেখানে হয়ত সে বুঝতে শিখবে দুনিয়াকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতে , রহস্যে ঘেরা রাজ্যে যেখানে শোনা যায়  “মহাকালের কথন”। 

রহস্যে ঘেরা নতুন কবিতা: কালের কথন

তখন ছিল ভোরবেলা।

পৃথিবীর এই শুভ্র কুয়াশা ভেদ করে মনটা যে কোন এক অজানার মুখে

যাত্রা করল,

ঠিক বোঝা গেল না।

কখনো রৌদ্রের সেই তপ্ত দুপুরে,

কখনো, কোন সে এক অজানার প্রতিধ্বনিকে, 

অনুসরণ করতে চাই মন;

এ প্রতিধ্বনি কখনো অন্তরের গভীরতা থেকে চলে আসে,

নাকি, অজানা কোন এক ব্রহ্মাণ্ডের চাহনি? 

ঠিক বোঝা যায় না।

অনুসরণ করো, নিজেকে জানো,

যদি ভেদ করতে চাও, 

অজানা কোন দুনিয়ার রহস্য, 

তবে তাও পারো।

মৃত্যুকে ডরিও না,

এই মৃত্যু, মৃত্যু করিয়াই তাজা জ্যান্ত প্রাণটা নিশ্চল হইয়া পড়িয়া থাকে।

জীবনকে জানো,জানিবার আছে।

এইতো সেদিন দেখলাম 

সন্ধ্যার সময়, সবুজ অরণ্যের মাঝখানে;

পুকুর ধারের সিঁড়িটার কাছে এসে বসে ছিলে,

বিশ্বাস করো আমি একদম ভুলি নাই।

সেখানে নিশ্চল এক আত্মচিন্তায় লীন হয়ে গেছিলে না? 

আমি কি ছিলাম না তোমার সাথে? 

দুপুরের টিফিনে মুরগির মাংস, তোমার দারুণ পছন্দ; 

আমি বলেছিলাম তোমার রান্না ঘরে গিয়ে, 

আতপ চাল ও মুরগির মাংস, আতপ চাল (ফিসফিসিয়ে)।

ওই যে তোমার প্রেমিকা, 

জ্বলজ্বল করা আশার আলো দেখে 

সেই দুই উজ্জ্বল চোখ দুটি,

তোমার অপেক্ষা করছে।

তার চোখে চোখ রেখে উদ্ধত স্বরে কথা বলবে,

তার জোড়া হাত দুটো স্পর্শ করবে।

সমান্তরাল পথ ধরে হেঁটে যাবে লক্ষ্যের পথ ধরে।

স্বাধীন দুর্নিবার নারীটা তোমার সাহচর্য প্রার্থনা করছে,

আর কিচ্ছু তো চাইনা।

সিঁড়ি ধরে নামবার সময়, 

উষ্ণ হাঁসির বিদায়টাকে, 

সামান্য কার্য বিরতি ঘোষণা করবে,

নয়ত একবারের জন্য জানালে একটু উষ্ণ আলিঙ্গন,

তারপর তোমার ডাক আসিলেই ছন্নছাড়া হয়ে পোড়না, 

তুমি তো চলছ, তার ভালোবাসাকে আপন করে।

"বল বীর চির উন্নত মম শির"

কতবার পড়েছ নজরুল,

তোমার সেই ছাত্রজীবনের বন্ধ কক্ষ থেকে!

কত অশ্রু নীরবে করেছিলে বিসর্জন,

যা কেউ দেখে নি,

তোমার এই প্রেমিকাটাও সেদিন বন্ধ কক্ষে নীরবে; 

তোমার আগমন ধ্বনির অপেক্ষা করছিল,

তুমিও এলে,আমি লক্ষ্য করলাম।

এত উদ্ধত হয়ে চলো না,

তোমার টাকার ব্যাগটা থেকে টং দোকানটাতে টাকা দেওয়ার সময় কিছু ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা

অনুভব করো,

তোমার অন্তরটাকে চঞ্চল করে ফেলে।

যা খুঁজছ, খুঁজতে থাকো, 

তার অনুভব হয়ত কোন দিন করেই শ্বাস নেবে।


সৃজনশীল ছোট্ট কবিতা।
২০২৬, রাজশাহী।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সৃজনশীল বিন্দুর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url